মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

আমাদের অজন

সাম্প্রতিক অর্জন:

সাম্প্রতিক বছরসমূহের ( বছর) প্রধান অর্জনসমূহ:

  • বাংলাদেশ এলডিসি পর্যায়ে উত্তরনের প্রেক্ষাপটে এবং ক্রমবর্ধিষ্ণু জনসংখ্যার প্রাণীজ আমিষের (দুধ, ডিম ও মাংস) চাহিদা মেটাতে উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে বিদ্যমান প্রাণিসম্পদের সংরক্ষণ, সম্প্রসারণ ও জাত উন্নয়ন ক্ষেত্রে রংপুর বিভাগে অভাবনীয় অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।
  •  সাম্প্রতিক অর্থবছরসমূহে গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে যথাক্রমে 4.49,6.40864 ও 5.67465 লক্ষ প্রজননক্ষম গাভী/ বকনাকে কৃত্রিম প্রজননের আওতায় আনা হয়েছে। উৎপাদিত সংকর জাতের বাছুরের সংখ্যা যথাক্রমে 1.39,1.9036 ও 2.12699।
  •  বিদ্যমান প্রাণিসম্পদের সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে যথাক্রমে 2.8169,3.3477 ও 3.537315 কোটি গবাদিপশু ও পাখিকে টিকা প্রদান করা হয়েছে এবং যথাক্রমে 0.8696, 0.8716 ও 0.919185 কোটি গবাদি পশু-পাখিকে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।
  •  খামারির সক্ষমতা বৃদ্ধি, খামার ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও খামার সম্প্রসারণে যথাক্রমে 0.1382,0.1798 ও 0.28616 লক্ষ খামারীকে প্রশিক্ষণ প্রদানসহ যথাক্রমে 1342, 3099 ও 3087 টি উঠান বৈঠক পরিচালনা করা হয়েছে।
  •  নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণীজ আমিষ উৎপাদনে যথাক্রমে 5130, 5550 ও 6614 টি খামার/ফিডমিল/হ্যাচারি পরিদশন 0, 1066 ও 1841 জন মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী প্রশিক্ষণ এবং 0, 79 ও 47 টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

২০২১-২২ অর্থবছরের সম্ভাব্য প্রধান অর্জনসমূহ:

  1. দুধ, মাংস এবং ডিমের মাথাপিছু প্রাপ্যতা যথাক্রমে 150 মিলি/দিন, 110গ্রাম/দিন এবং 104/বছর তে উন্নীত করা;
  2. রোগ প্রতিরোধে 0.30 কোটি মাত্রা গবাদিপশুকে টিকা প্রদান;
  3. রোগ প্রতিরোধে 2.90 কোটি মাত্রা হাঁস-মুরগিকে টিকা প্রদান;
  4. প্রায় 0.135 কোটিরোগাক্রান্ত গবাদিপশু ও 0.70 কোটি হাঁস-মুরগির চিকিৎসা প্রদান;
  5. গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে প্রায় 4.885 লক্ষ গাভী কে কৃত্রিম প্রজনন করা;
  6. গবাদিপশু-পাখি পালনে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে 3100 উঠান বৈঠক পরিচালনা করা এবং 28000 খামারীকে এবং 800 জন মাংস প্রক্রিয়াজাতকারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান;

 

 

 

 

ছবি


সংযুক্তি

bd444a38cb3aa30e79d01eb16aec9d30.docx bd444a38cb3aa30e79d01eb16aec9d30.docx


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter